ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে বঙ্গোপসাগরে আজ সোমবার থেকে মাছ ধরার উপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। গতকাল রাত ১২টা থেকে সরকার ঘোষিত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানায়, ২০১৯ সাল থেকে বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধিতে সরকার ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ধরা ও বিপণনে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এছাড়া ২০১১ সালের ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন একই কারণে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হয় জেলেদের।
জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির তথ্য মতে, জেলার কুতুবদিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, চকরিয়া,কক্সবাজার সদর,উখিয়া ও টেকনাফের উপকূলে প্রায় সাত হাজার ছোট-বড় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলারে প্রায় লক্ষাধিক মাঝি-মাল্লা রয়েছে।
শহরের ফিশারীঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির পরিচালক জুলফিকার আলী বলেন, আজ থেকে নিষেধাজ্ঞার কারণে শহরের প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে মাছ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে কেউ সাগরে মাছ ধরতে গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে টেকনাফ উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে ইলিশ মাছ আহরন,সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ ওপর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে এক সভা আজ সোমবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এরফানুল হক চৌধুরী।
সভায় সাগরে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে প্রচারণা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।







