কক্সবাজারের পেকুয়ায় জায়গা-জমির বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারী) বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউপির মগঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এসময় দু’পক্ষের বৃদ্ধা মহিলাসহ অন্তত ১৩জন আহত হয়েছে। এতে পুরো মগনামায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করেছে।
আহতরা হলেন-ওই এলাকার রহমত উল্লাহ স্ত্রী রেনুয়ারা বেগম(৪০) মৃত নুর আহম্মদের পুত্র মনজুর আলম(৫০) স্ত্রী শওকতআরা (৪৫) পুত্র আরিফ(২৫)তার স্ত্রী সোলতানা বেগম(১৭)।
এদের মধ্যে রেনুয়ারা বেগম, মনজুর আলম ও শওকতআরা অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
অপর পক্ষে আহতরা হলেন, নুরুল আজিমের পুত্র মোঃরিদুয়ান (২৮), নজরুল ইসলামের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪০), ফরমান ইসলাম (২০), নুরুল আজিম (৫০), ফাতেমা বেগম (৪০), মোবারকা বেগম (৪২), মোঃ মনজুর (৫০) ও মোঃ আরিফ (৩০)।
এদের মধ্যে রিদুয়ান ও মোনোয়ারা বেগমের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী জানা গেছে, একই এলাকার হাচু মিয়ার সাথে আব্দুল কাদেরের জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। এনিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের অনেকবার শালিসি বৈঠকও হয়েছিলো। মঙ্গলবার ঘটনার দিন বিকেলে হাচু মিয়া গং তাদের দীর্ঘ ৫০ বছরের দখলীয় জমিতে ঘর নির্মাণ করার সময় আব্দুল কাদেরর নেতৃত্বে
নুরুল আজিমের,তার পুত্র মোঃরিদুয়ান, নজরুল ইসলামের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, ফরমান ইসলাম, ফাতেমা বেগম, মোবারকা বেগমসহ ১০/১৫ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল ধারালো ছুরি ও কিরিস দিয়ে ঐ জমি জবরদখল করতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। পরে স্থানীয় আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
আহত মনজুর আলম বলেন, নুরুল কাদের গংদের সাথে জমি বিরোধ চলছে। এনিয়ে অনেক বার শালিসি বৈঠক হয়েছে।আজ পেকুয়া থানার পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে থানা আসতে বলেন, পুলিশ চলে আসার সাথে সাথে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বসতবাড়িতে অনুপ্রবেশ করে আমাদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়েছে।
আহত মোঃ মনজুর জানান, হাচু মিয়ার সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। এনিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের অনেকবার শালিসি বৈঠকও হয়েছিলো। আজ পেকুয়া থানা পুলিশ দু’পক্ষকে থানায় আসতে বলেন।পুলিশ চলে আসার পরে তারা ধারালো কিরিচ, লোহার রড, নিয়ে ২০/৩০ জন লোক জন আমাদেরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে পরে স্থানীয় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর হায়দার বলেন, উভয় সংঘর্ষের বিষয়টি শুনেছি। তবে এখানো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







