কক্সবাজারের পেকুয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডে নির্মমভাবে নিহত প্রধান শিক্ষক মো. আরিফের (৪৮) জানাজায় লাখো মানুষের ঢল। তিনি পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ও পেকুয়া আন্নআলী মাতবর পাড়া এলাকার মৃত বজল আহাম্মদের পুত্র।
শনিবার (১২ অক্টোবর) সন্ধা সাড়ে ৬টায় পেকুয়া ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এসময় জানাজায় উপস্থিত লাখো মুসল্লীর উদ্দেশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ভার্চ্যুয়ালী বক্তব্যে বলেন, আরিফ হত্যাকান্ডের সকল অপরাধী আইনের আওতায় আসবে জানিয়ে শিক্ষক আরিফের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও তাঁর বিদেহী আত্মার মুক্তি কামনা করেন।
পরিবারের পক্ষে থেকে বক্তব্য রাখেন, নিহত আরিফের ছোট ভাই রিয়াদ ইসলাম, নিহত আরিফের চাচা এড. নুরুল হুদা, বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা এএইচএম বদিউল আলম, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও টইটং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জেড এম মোসলেম উদ্দিন, পেকুয়ার সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কামাল হোসেন,
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পেকুয়া উপজেলার সেক্রেটারি মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. মুজিবুল হক চৌধুরী, পেকুয়া উপজেলা কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়েশনের সহসভাপতি মাওলানা হাসান রাব্বানী, শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইবরাহিম, শিলখালী আইডিয়াল স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি ডিরেক্টর মাসুদ, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মনজুসহ আরও অনেকে। বক্তারা বক্তারা অনতিবিলম্বে আরিফের খুনিদেরকে বের করে শাস্তি দাবি করে।
উল্লেখ, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় পেকুয়া সদরের ফায়ার সার্ভিসের সামনে থেকে অপহরণ হয়। গতকাল শুক্রবার টানা ১৪ দিন পর তার পরিত্যক্ত পুকুর থেকে নিহত আরিফের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের জানাজায় ইমামতি করেন বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএইচএম বদিউল আলম।
নিহত আরিফকে মাতব্বর পাড়া সামাজিক কবরস্থানে দাফন করার হয়েছে।







