রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য বান্দরবানের লামা পৌরসভা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন। মিছিলটি উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বর থেকে শুরু করে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের প্রধান সড়কের মোড়ে গিয়ে সমাবেশ করে।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বর থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা জামাল এর নির্দেশনায় মিছিল ও সমাবেশ শুরু হয়।
শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ বিক্ষোভ মিছিল হয়।
এতে অংশ নেয়া দলীয় নেতাকর্মীরা বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে স্লোগান দেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা জামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাতে অনেকের সহ্য হচ্ছে না।
যারা দেশের অগ্রগতিকে থামিয়ে দিতে চায়, তারাই বিভিন্ন সময় শেখ হাসিনাকে হত্যার অপচেষ্টা চালায়। শেখ হাসিনার কিছু হলে দেশের ১৭ কোটি মানুষ বসে থাকবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করেন।
লামা পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রফিক মিয়ার সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য দেন লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও লামা পৌর মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মিঃ প্রদীপ কান্তি দাশ।
অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগ এর অন্যতম উপদষ্টা, স্থানীয় সরকার পরিষদ বান্দরবান এর সাবেক সদস্য মোঃ আবু মুছা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য ও লামা উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ফাতেমা পারুল, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সহ সভাপতি বিজয় আইচ, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাচিংপ্রু মারমা, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা কৃষক লীগ এর অন্যতম সহ সভাপতি এম, কামরুল হাসান টিপু, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ স্বপন কুমার দে, সহ লামা পৌর আওয়ামীলীগ এবং উপজেলা ও পৌর শাখার সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সরকারের পদত্যাগ ও ১০ দফা দাবিতে রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ হয়। ওই সমাবেশ থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে ‘কবরস্থানে’ পাঠানোর হুমকি দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ।







