চকরিয়ায় উপজেলার কৈয়ারবিলে জমি দখল চেষ্টা ও তিন দফা হামলায় ৫ জন আহতের ঘটনায় থানায় মামলা রুজু হয়েছে। গত ২৯ মে সকাল ১১টায় চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড পশ্চিম বানিয়ারকুম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। কৈয়ারবিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো: সাদেক বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে উক্ত মামলাটি করেন।
মামলায় আসামী করা হয় একই এলাকার মৃত ফজলুল হকের পুত্র মো. জকরিয়া (৫০), তার ছেলে মো. আনিস (২১) ও মো. আনাছ (১৯), শামীম আরা (৪০), মো. ওসমান (২৪), মো.মানিক (২২), জন্নাতুল হুরাইন (২২) ও জন্নাতুল বকেয়াকে। মামলার প্রধান আসামী জকরিয়া মাষ্টারকে ২৪জুলাই দুপুরে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত।
বাদী পক্ষের মূল কর্তা গিয়াস উদ্দিন মেম্বার বলেন, পৈত্রিকভাবে পাওয়া এবং ক্রয় সূত্রে কৈয়ারবিল ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডের পূর্ব বানিয়ারকুম এলাকায় ৩৫ কড়া জমি রয়েছে। জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ওইজমি স্থানীয় মাষ্টার জকরিয়া জবর দখলে রাখে। প্রায় সময় মাষ্টার জকরিয়াকে জমি বুঝিয়ে দিতে বলা হলেও নানাভাবে তালবাহানা করে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জমিতে একই এলাকার মাষ্টার জকরিয়া তার দুইপুত্র আনাস ও আনিছ দলবল নিয়ে জোরপূর্বকভাবে জমি দখলে নিতে চেষ্ঠা করে। ওইসময় খবর পেয়ে বাধা দিতে গেলে তারা আমার উপর হামলা চালালে মারাত্মকভাবে জখম করে।
এসময় আমাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে পরিবার সদস্য বশির উদ্দিন (৫০), তোহিদ (২৮), সাদেক (২৮), মফিজ (৩০), মোর্শেদকে মারধর করে। এসময় বশির উদ্দিনের কাছে
থাকা ৫ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল লুট করে নিয়ে যায়। বশির উদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কা হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
দায়েরকৃত উক্ত মামলায় এজাহার নামীয় ১নং আসামী মাস্টার মোঃ জকরিয়া ২৪জুলাই দুপুরে কক্সবাজারের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশনা দেন।
অভিযুক্ত জকরিয়া মাষ্টারের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।







