মঙ্গলবার ও বুধবার পেজার এবং ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণে হিজবুল্লাহর ৩৭ জন নিহত এবং প্রায় ৩ হাজার আহত হওয়ার ঘটনা সংগঠনটির জন্য বড় ধাক্কা। হিজবুল্লাহ এমন নজিরবিহীন হামলার জন্য ইসরাইলকে দায়ী করেছে। এ হামলায় সংগঠনটি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ বৃহস্পতিবার লেবানন জুড়ে তাদের সদস্যদের ব্যবহৃত কয়েকশ’ ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণের বিষয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন।
বুধবার যোগাযোগের তারহীন যন্ত্র ওয়াকিটকি বিস্ফোরণে এতে অন্তত ২০ জন নিহত ও ৪৫০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
এর একদিন আগে মঙ্গলবার লেবাননের একাধিক জায়গায় ইরানপন্থী হিজবুল্লাহ সদস্যদের ব্যবহার করা কয়েক হাজার পেজার (যোগাযোগের তারহীন যন্ত্র) একযোগে বিস্ফোরণের পর দুই শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়। আহত হয়েছে দুই হাজার ৮শ লোক।
এদিকে হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী উভয় বিস্ফোরণের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।
কিন্তু এখন পর্যন্ত ইসরাইল এসব বিস্ফোরণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি ।
এছাড়া জর্ডানও লেবাননে বিস্ফোরণের জন্য ইসরাইলকে দায়ী করেছে।
টেলিভিশন নিউজ বুলেটিন এবং সংবাদপত্রের শিরোনামে আধিপত্য বিস্তারকারী বিস্ফোরণের বিষয়ে ইসরাইলি কর্মকর্তারা এখনো মুখ খোলেননি।
এদিকে হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান সশস্ত্র এই গোষ্ঠীর প্রতি সহায়তা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
বুধবার একটি বিমান ঘাঁটি পরিদর্শনকালে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেছেন, ‘মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র উত্তর দিকে সরে যাচ্ছে।’ ‘আমরা যুদ্ধের একটি নতুন পর্বের শুরুতে আছি।’
বামপন্থী হারেৎজ পত্রিকার আমোস হারেল বলেছেন, পেজার এবং ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ ‘ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহকে সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’ ঠেলে দিচ্ছে।







