অপহরণ করতে এসে স্থানীয়দের হাতে মারধরের শিকার হয়েছে দুই রোহিঙ্গা অপহরণকারী। এতে মারধরে আজিম উল্লাহ নামের এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছে হাসিম নামের অপর রোহিঙ্গা অপহরণকারী। টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজারের আব্দু মালেকের ঘোনা নামক স্থানে এলাকাবাসী ওই দুই রোহিঙ্গা আটক করে পিটুনি দেই।
অপহরণকারী দুই রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্থানীয় শাহ আলমের দুই ছেলে আবছার ও তার ছোটভাই পাহাড় থেকে নিজেদের পালিত গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, এসময় আব্দুল মালেকের ঘোনার কাছে পৌঁছলে আবছারকে অপহরণকারীরা ধরে বেঁধে ফেলে।এসময় ছোট ভাই চিৎকার করলে তাদের পেছনে থাকা বাবা শাহআলম এসে দুই রোহিঙ্গাকে ধাওয়া করে হাতে নাতে ধরে ফেলে। স্থানীয় জনতাও যোগ দেয় শাহ আলমের সাথে। তারপর চলে মারধর ।
ঘটনার বর্ননা দিয়ে শাহ আলম বলেন, বিকেলে দিকে এঘটনা ঘটে। গরুসহ বাড়ি ফেরার পথে তার বড় ছেলেকে অপহরনকারিরা বেঁধে ফেলার পর ছোটছেলের চিৎকার শুনে দৌড়ে এসে অপহরনকারীদের ধাওয়া করি, এসময় পাশের বাগানে কর্মরত শ্রমিকরাও সাথে যোগ দেয়, একপর্যায়ে দুই অপহরনকারীকে ধরে ফেলি। তারপর স্থানীয়রা মিলে তাদের মারধর করা হয়েছে। এরা দুজনেই রোহিঙ্গা অপহরণ চক্রের সদস্য বলে আমাদের ধারণা।
টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রোকনুজ্জামান বলেন,জনতার সহযোগীতায় দুই রোহিঙ্গাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে।
তারা অপহরণ করতে এসেছিল বলে উত্তেজিত জনতা মারধর করে। আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পথে একজন রোহিঙ্গা মারা গেছে বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে এরা অপহরণকারী চক্রের সদস্য।







