চলাচলের রাস্তা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়ার পর তড়িৎ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন রামু উপজেলা প্রশাসন। রামুর দক্ষিন মিঠাছড়ির মধ্যম উমখালীর কাজির পাড়া এলাকায় শত বৎসরের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জমি অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে দখল মুক্ত করল উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার পহেলা ডিসেম্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মুস্তফা। এবং অবৈধ দখলদার আজিজ উল্লাহ গং দের কাছ থেকে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত চলাচলের রাস্তা দখল মুক্ত করে। এবং বহুতল ভবনের পিলার সরানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করে ।
চলাচলের রাস্তা দখল মুক্ত করাই রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মুস্তফা ও রামু সদর তফসিল অফিসের ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদ কে ধন্যবাদ জানান এলাকাবাসী। এই সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির হামজা কোম্পানী, কাজী মোহাম্মদ আলী, ও এলাকাবাসী। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মুস্তফা জানান সরকারি খতিয়ান ভুক্ত চলাচলের রাস্তার জমি কেউ দখল করতে পারবে না, যদি করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য যে দীর্ঘদিন ধরে ১০/১২ টি পরিবারকে জিম্মি করে শত বৎসরের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত চলাচলের রাস্তা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ করতেছে আজিজ উল্লাহ।
৬ জনকে অভিযুক্ত করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেন রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের উমখালী কাজীরপাড়া বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী মোহাম্মদ আলী।
অভিযুক্তরা হলেন আবদু রহমানের ছেলে আজিজ উল্লাহ,অলি উল্লাহ, ছৈয়দ উল্লাহ, এরশাদ উল্লাহ, মৃত ইসমাইলের ছেলে আবদুল গফুর, মৃত আবদু রশিদের ছেলে আবদু জলিল।







