কক্সবাজারের উখিয়ায় ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করেছে র্যাব।
আটকরা হলো, বান্দরবানের নাইক্ষ্যছড়ি সোনাইছড়ি বটতলী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৪), অন্যজন সোনাইছড়ি রেজু নতুন পাড়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মীর আহমেদ এর ছেলে ছৈয়দ করিম (৪০)। এইকাজে জড়িত আরো তিনজন পালিয়ে যায়।
পলাতকরা হলো, টেকনাফের
হোয়াইক্যং কাটাখালির সৈয়দ আহমেদ এর ছেলে সম্রাট হোসেন (২৫), একই ইউনিয়নের ঘোনাপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার এর ছেলে কালাম (৩৫) ও কাটাখালীর ইসা আহমেদ এর ছেলে মোস্তাফা (৩০)।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী প্রধান সড়কের কাঁকড়া ব্রীজ সংলগ্ন রাস্তার উপর থেকে এসব ইয়াবাসহ তাদের আটক করা হয়।
বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক ( আইন এবং গণমাধ্যম)মোঃ বিল্লাল উদ্দিন।
তিনি জানান, আমাদের কাছে খবর আসে কতিপয় মাদক কারবারিরা ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাস্তায় অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কতিপয় ব্যক্তি বস্তাসহ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কৌশলে দুজনকে আটক করতে সক্ষম হই। এসময় আরো তিনজন পালিয়ে যায়।
আটকের পর মোঃ সাইফুল ইসলাম এর ডান হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে পঞ্চাশ হাজার পিস এবং ছৈয়দ করিম এর ডান হাতে থাকা অন্য আরেকটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে পঞ্চাশ হাজারসহ মোট এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পলাতক আসামীসহ নিজেদের উপরোক্ত নাম ঠিকানা প্রকাশ করে এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো পলাতক আসামীদের সহয়তায় টেকনাফ সিমান্তবর্তি এলাকা থেকে সংগ্রহ করে নিজেদের হেফাজতে রেখে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল বলে জানায়।
বিল্লাল আরো জানান,
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য এবং পলাতক আসামীসহ গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।







