বান্দরবানের আলীকদমে ১১৬টি গরু-মহিষ নিলাম হয়েছে ৮৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অবৈধভাবে আসা গরু মহিষ এর সাথে আটক হচ্ছে দেশি গরু। ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে এই নিলাম হয়।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সীমান্তের পাহাড় জঙ্গল পথ পাড়ি দিয়ে আসা শতাধিক গরু আলীকদমের সাপ্তাহিক হাটে বিক্রি হয়। পরে এইসব গরু পরিবহন কালে সেদিন চৈক্ষ্যং কানামাঝি ঘাট এলাকায় আটক করা হয়।
এক ক্ষুদ্র গরু ব্যবসায়ী জানান, “আমি স্থানীয় মুরুংদের থেকে দেশি ১২টি গরু কিনেছি। প্রশাসন সেগুলোও নিয়ে যায়”। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা ভাল করে যাচাই করে দেশীয় গরুগুলো ছেড়ে দিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, আলীকদমে গরু পাচার চক্রের মাথা বলে পরিচিত একজন মাঝারি মানের নেতার ঈঙ্গিতে নাকি সব কিছু হচ্ছে।
এদিকে কুরুখপাতা চেয়ারম্যান দাবি করেন, সে এ সব গরু বেছাবিক্রির সাথে জড়িত নন। তবে তার এলাকায় ঝোপজঙ্গলে গরু আছে বলে তিনি স্বীকার করেন। অপর দিকে স্থানীয়রাও জানায়, এখনো ওই ইউনিয়নের ঝোপজঙ্গলে প্রচুর বিদেশী গরু দেখা যাচ্ছে।
সর্বশেষ আটকের পর চারজনকে আসামী করে মামলা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে গত জুলাই মাসে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২৫টি গরুসহ সর্বপ্রথম একজনকে গ্রেফতার করেছিলেন। যদিও এখন সে জামিনে রয়েছে।
একই সময় থেকে ৫৭ বিজিবি আলীকদম ব্যাটালিয়ন কয়েক দফায় অভিযান করে বেশ কিছু গরু-মহিষ আটক করে নিলামে দিয়েছেন।
অবৈধ পক্রিয়ায় এত গরু আসার পেছনে কি ইতিপূর্বে ধৃত সেই ব্যক্তিটি আর সদ্য মামলার চার আসামীরাই শুধু জড়িত ছিল?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলছেন, নেতা খেতা, এরা চুনোপুটি। এই গরু পাচার চক্রের পিছনে শক্তিশালী আরও কেউ জড়িত রয়েছেন।
এ দিকে বিদেশী নাপা বা ব্রাহমা জাতের গরু ধরতে গিয়ে প্রশাসন স্থানীয় গরুও আটক করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি আটক হয়ে নিলামে বিক্রি গরুর মধ্যে শুধু একজনের ক্রয়কৃত ১২টি স্থানীয় গরু রয়েছে বলে জানা যায়।
২২ সেপ্টেম্বর আলীকদম ৫৭ বিজিবি সদরে ৩৫টি মহিষ ২৬ লাখ টাকা, ৪২টি বাংলা গরু ২৬ লাখ টাকা ও ৩৯ টি নাপা গরু ৩৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিলামে বিক্রি করা হয়।








me