অরাজনৈতিক সমাজিক সংগঠন পেকুয়া উপজেলা প্রবাসী ঐক্য পরিষদের নির্বাচনের নামে টাকা নিয়ে দুইমাস পর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।
তাদের এই তাফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নির্বাচিত প্রদেশিক কমিটির একাধিক নেতৃবৃন্ধ ও পুর্বের তাফসিলে অংশগ্রহণকারী শতাধিক প্রার্থী।
তারা বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের সরলতার সুযোগ নিয়ে কমিশন তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন।
ওমান শাখার সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন সংগঠনকে তাদের পৈতৃক সম্পদ মনে করে তারা তাদের কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন। তাদের এই তফসিল আমরা বয়কট করছি এবং নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।
কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ- অর্থ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের আস্থা হারিয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ড দলীয়করণ হয়েছে, তারা তাদের নৈতিক স্খলন করেছেন। তাদের ব্যর্থতার দায় তারা কখনো এড়াতে পারেননা। সুতারাং আমি বলবো তাদের অধীনে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায়না। আমি তাদের পদত্যাগ দাবি করছি এবং পুর্বের টাকা ফেরত দিয়ে নতুন কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছি।
সৌদি আরব শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিছবাহউদ্দীন নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন তাদের অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
তাদের স্থগিত আদেশে সংগঠনকে বিরাট ক্ষতি সম্মুখীন করেন এবং এতে করে মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে, আমরা তাদের এই তফসিল ঘোষণাকে বয়কট করছি।
কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসেম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন আমাদের কোন অভিযোগ আমলে না নিয়ে নতুন তফসিল ঘোষণা হাস্যকর। আমি এই তফসিল মানিনা, অনতিবিলম্বে পুর্বের টাকা ফেরত দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।
কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ- সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, পুর্বের টাকা ফেরত না দিয়ে নতুন তফসিল এর কোন গ্রহণযোগ্যতা থাকার প্রশ্ন আসেনা, তিনি পুর্বের টাকা ফেরত দিয়ে নতুন কমিশনের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।







