কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় সড়ক তৈরী না করেই বরাদ্দই পুরো টাকাই লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটি ও পেকুয়া পিআইও অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
পেকুয়া পিআইও অফিসের কাগজে-কলমে ওই প্রকল্প শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে মর্মে রেকর্ডপত্র থাকলেও মাঠ পর্যায়ের চিত্র পুরোটাই ভিন্ন! প্রকল্পের কোন কাজই হয়নি। পিআইও অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটি’র লোকজন সড়ক তৈরীর পুরো বরাদ্দই উত্তোলন করে নিজেরা মিলেমিশে লুটে নিয়েছেন। এমনই চাঞ্চল্যকর দূর্নীতির ঘটনা সংগঠিত হয়েছে পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের কার্যালয়ে!
সরেজমিন অনুসন্ধান ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর-নগদ টাকা) উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের পহরচাঁদা ব্রীজের সংলগ্ন মূল সড়ক থেকে কবরস্থান পর্যন্ত মাটিদ্বারা ভরাট করে একটি সড়ক তৈরীর করার জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করে পেকুয়া পিআইও অফিস। ওই প্রকল্পের সভাপতি করা হয় শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সামাদকে। বরাদ্দের পর পুরো ৪ লাখ টাকাই পেকুয়া পিআইও আমিনুল ইসলামের সহায়তায় উত্তোলন করে নিয়েছে প্রকল্প কমিটি! গত এক বছর পূর্বে বরাদ্দের সমুদয় টাকা উত্তোলন করে নিলেও ১৬ মে পর্যন্ত কোন ধরনের কাজ হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, যেখানে মাটি দ্বারা ভরাট করে সড়ক তৈরীর কথা সেখানে ধান ক্ষেত দেখা গেছে। কোন সড়কই তৈরী করা হয়নি। বরাদ্দ উত্তোলন করে সড়ক তৈরী না হলেও পেকুয়া উপজেলার পিআইও আমিনুল ইসলাম বিগত ২১/০৯/২০২১ খ্রি. তারিখ ওই প্রকল্পের কাজ শতভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে মর্মে রেকর্ডপত্র তৈরী করে।
সড়ক তৈরী না করেই বরাদ্দ লুটে নেওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প কমিটির সভাপতি ও শিলখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবদুস সামাদ জানান, এক বছরের আগের বরাদ্দ। এখন এ বিষয়ে খেয়াল নেই। এ বিষয়ে আর কথা বলতে রাজি হননি ওই ইউপি সদস্য সামাদ!
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো: আমিনুল ইসলামসহ তার অফিসের অসাধু কয়েকজন কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কমিটির লোকজন মিলেমিশে বরাদ্দের পুরো টাকাই নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলামের সাথে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকল্প কমিটির লোকজনই জানবে সড়কটি তৈরী করা হয়েছে কিনা। তিনি ওই প্রকল্পের টাকা লুটের সাথে জড়িত নয় বলেও দাবী করেছেন







