কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(কউক) নতুন ভবনে যাত্রা শুরু করছে।
আগামীকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কউকের নবনির্মিত ১০ তলা অফিস ভবনের আনুষ্ঠানিক শুভউদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
এর মধ্যে দিয়ে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিজ কার্যালয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে।
ইতোমধ্যে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভবনটির পুরো কাজ শেষ করে বুঝিয়ে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
কক্সবাজারের পর্যটন,সমুদ্র সম্পদ ও ব্যবসা-বানিজ্যকে ঘিরে সরকারের বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এই পরিকল্পনার ভেতরে ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু হয় কউকের।
সোমবার কউক চেয়ারম্যান লেফট্যানেন্ট কর্নেল (অব:) ফোরকান আহমেদ কউকের নবনির্মিত কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভবনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নানা সংকট-সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে ৬ বছরের মধ্যে কউক নিজস্ব ভবনের কাজ শেষ করতে পেরেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় কউকের ভবনসহ বড় উন্নয়ন কাজগুলো সম্ভব হচ্ছে।
কউক চেয়ারম্যান বলেন,সরকার কউক ভবন নির্মাণের জন্যে ১ দশমিক ২১ একর জমি বরাদ্দ দেয়।
এরপর ২০১৭ সালে এই জমিতে ১০ তলা স্থায়ী কার্যালয় নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ১শ ১৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এনডিই লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করেছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর ৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা বেঁচে গেছে বলে জানান কউক চেয়ারম্যান ফোরকান আহমেদ। ইতিমধ্যে এই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ পাঠানো হয়েছে।
গত দুইদিন ধরে এই ভবনের অর্থ বেঁচে যাওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়য়ে জানতে চাইলে কউক চেয়ারম্যান ফোরকান আহমেদ জানান, প্রাক্কলিত মূল্য থেকে কয়েকটি আইটেমে অতিরিক্ত খরচ কর্তন করে এই টাকা বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এতে কাজের গুণ ও মানের কোনো সমস্যা হয়নি।
আগামীকাল বুধবার (১৮মে) নবনির্মিত ১০ তলাবিশিষ্ট এ ভবনটি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের তত্বাবধানে এই উদ্বোধন কার্যক্রমের প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।







