মহেশখালীর বড় মহেশখালীতে মো. ফেরদৌস (২৫) নামের এক যুবক নিহতের ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ৷ পুলিশের অভিযানে উক্ত মামলার এজাহার নামীয় ১৭ নং আসামী ছাবের ও ১৬ নং আসামী রাসেল আটক হন ৷
গত ৬ ফেব্রুয়ারি (রোববার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাঘোনায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। সোমবার সকালে জেলার সিনিয়র এএসপি জাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন তাঁরা। নিহত মো. ফেরদৌস ওই এলাকার মৃত মো. নেছারের ছেলে।
নিহতের চাচা আব্দুর রহিম জানান, শনিবার দুপুরে লবণ মাঠে পানি চলাচলকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা মো. জাবেদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় মো. ফেরদৌস ও মো. ছোয়ানের। এ ঘটনার জেরে রোববার সন্ধ্যায় আবারও ঝগড়া লাগে তাঁদের মধ্যে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের কথা ছিল কিন্তু মেম্বার জিল্লুর রহমান মিন্টুর ইন্ধনে প্রতিপক্ষ বিচারে বসেনি। পরে রাত ৮টার দিকে ছোয়ানকে নতুন বাজার থেকে তুলে নিয়ে যায় জাবেদের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন দুর্বৃত্ত। খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে ফেরদৌসও নিখোঁজ হন। ঘণ্টাখানেক পর খবর আসে ফেরদৌসের লাশ ধান ক্ষেতে পড়ে আছে। এরপর লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রানা দে বলেন, ‘ফেরদৌসের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের পাশাপাশি পাঁচটির বেশি গুলির চিহ্ন রয়েছে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলছেন, ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিয়মিত অপরাধমূলক কাজ করে থাকেন ৷
এ ব্যাপারে জানতে ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান মিন্টুর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি ৷ ৮ ফ্রেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রুজু হওয়া মামলায় বড় মহেশখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য জিল্লুর রহমান মিন্টু সহ ১৯ জনকে মামলায় আসামি করা হয়। অন্যান্য আসামীরা হলেন মো. জাবেদ, আজম খান, ফরিদুল আলম, দেলোয়ার হোসেন, আবুল কাছিম, হাবিবুল্লাহ, মোসলেম সহ ১৯ জনের নামে মামলা রুজু করা হয় ৷
এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই বলেন, ‘যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে ২ আসামী আটক রয়েছে বাকীদের আটকের চেষ্টা চলছে।







