সদ্য সমাপ্ত চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও কক্সবাজার জেলা পরিষদ সাবেক সদস্য আবু তৈয়বকে জড়িয়ে চিংড়িঘেরের অভিযান নিয়ে কাল্পনিক অভিযোগে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাহারবিকল ইউনিয়নের কোরালখালীস্থ তার নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবু তৈয়ব বলেন, সোমবার ভোররাতে চকরিয়া উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নস্থ ডেবডেবি এলাকায় ৫৫০ একর চিংড়িঘের নিয়ে দখল চেষ্টার ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় আমার নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়। ওই চিংড়িঘেরের সাথে আমি কোনভাবেই সম্পৃক্ত নই। কিন্ত একদল কুচক্রিমহল সত্য ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, আসল কথা হচ্ছে, ৫৫০ একর চিংড়িঘেরের বছর ভিত্তিক লীজ মূলে মালিক মোয়াজ্জেম হোসেন শাওন। তার বৈধ মেয়াদ এই মাসের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গত রবিবার দিবাগত রাতে এ চিংড়িঘের দখলে নিতে সশস্ত্র একদল দূর্বৃত্ত উক্ত ঘেরে অবস্থান করার খবর পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন ওইদিন ভোররাতে ওই চিংড়িঘেরে অভিযান চালায়।
এতে গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন সন্ত্রাসী নিহত ও দুইজনকে অস্ত্র গোলাবারুদসহ আটক করা হয়। সোমবার সকালে বিষয়টি আমি স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে শুনেছি।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে এর আগে রবিবার ঘের মালিক শাওন ওই চিংড়িঘেরে ছাগল জবাই করে ভূরিভোজের আয়োজনও করে। এতে সাহারবিল ইউনিয়নের প্রভাবশালী তার দলবল নিয়ে ওই ভূরিভোজে অংশগ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, আমি শেষ হওয়া সাহারবিল ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। ওই নির্বাচনে আমি দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলাম। কতিপয় ব্যক্তিরা এলাকায় হেয় প্রতিপন্ন ও সম্মানহানি করতে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বি লোকজন মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে জড়িয়ে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার জন্য সংবাদ ছাপিয়েছে।
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলাও নেই। আমি কক্সবাজার জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলাম। এ বিষয়ে প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।







