কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রামপুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে চাকরি বিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিযোগ ওঠেছে।
তৃতীয় দফায় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে থেকে নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ করে তাঁরা প্রচারণা চালিয়ে আসলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম তফসিল ঘোষণা আগেই ফের প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। তখন থেকে তিনি নিজের প্রচারণা শুরু করেন। নিজের বাড়িতে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা ও নিয়ম ভেঙে তাঁদের ভূরিভোজন করান। মনোনয়ন জমা দেয়ার পর থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় গণসংযোগ ও প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী শরাফত উল্লাহ ওয়াসিমের প্রতিটি নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহণ করেন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রামপুলিশ সদস্য মো. আলমগীর, আবু নয়ন, দেলোয়ার হোসেন, বুলু আরা, রোজিনা আক্তার ও আবুল শামা।
মগনামা ইউনিয়নের দফদার মো. আলমগীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের বিষয়টি আস্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নানা প্রয়োজনে এখনো আমারা চেয়ারম্যানের বাড়িতে যাই। কাজ শেষে ফিরে আসি। আমরা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করিনা। তবে, ছবির কথা উল্ল্যেখ করলে তিনি তা এড়িয়ে যান।’
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী নাজেম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী শরাফত উল্লাহ ওয়াসিমের প্রতিটি নির্বাচনী কাজে অংশগ্রহণ করেছে গ্রামপুলিশ সদস্যরা। তাঁরা মিটিংয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা, খাবার সরবরাহ ও ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছে। যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমি এব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজাউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি আমদের নজরে আসেনি। কোন প্রার্থী লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূর্বিতা চাকমা বলেন, গ্রামপুলিশ সদস্যরা কর্মরত অবস্থায় কোনভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন না। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো।







