কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘চাকমা পল্লী ও বৌদ্ধ বিহারে’ হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্দন ও সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২ টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয় সড়কে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম জেলা শাখার উদ্যোগে এ প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
আদিবাসী ফোরাম জেলা শাখার সভাপতি থোয়াই অং রাখাইনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক ড. রুবায়েত ফেরদৌস, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা অনিল দত্ত, ব্রাম্মণ সংসদের সভাপতি এডভোকেট মৃদুল কান্তি চক্রবর্তী, হিন্দু-বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি উদয় শংকর পাল মিঠু,জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারি, রাখাইন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ড. আচিং রাখাইন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংবিধানে সকল ধর্ম ও জাতির প্রতি রাষ্ট্রের সমান অধিকারের কথা বলা হলেও প্রতিনিয়ত তা লংঘিত হচ্ছে। কথিত ধর্ম অবমাননা সহ নানা তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্টীর উপর হামলা, নির্যাতন-নিপীড়ন অব্যাহত রয়েছে। এতে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ধর্ম-নিরপেক্ষ চেতনা।
গত ২৫ অক্টোবর চাকমা তরুণীকে ইভটেজিং করার জেরে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালীতে স্থানীয় বাঙ্গালী-চাকমা সম্প্রদায়ের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে চাকমা পল্লী ও বৌদ্ধ বিহারে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়।
ঘটনায় চাকমা সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে স্থানীয় এক ছাত্রলীগে নেতাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
স্থানীয় চাকমাদের অভিযোগ, পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারলেও অভিযুক্তরা মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।#







