প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমনা ও তার সহধর্মিণী ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন। তিনি পার্ক ভেতরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। পাহাড়, বন, জলাধার আর উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণকারী বন্যপ্রাণীর এই জগৎ পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি এবং ডা. জুবাইদা রহমান পার্কের পরিদর্শন বইয়ে (স্মারক বই) স্বাক্ষর করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি এবং ডা. জুবাইদা রহমান পার্কের পরিদর্শন বইয়ে (স্মারক বই) স্বাক্ষর করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। পরে এটিকে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এটি শত শত বন্যপ্রাণীর এক অনন্য অভয়ারণ্য।







