শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপনের হার
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • যোগাযোগ
No Result
View All Result
চকোরী—Daily Chakori
  • কক্সবাজার
  • চট্টগ্রাম
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
    • পর্যটন
  • আন্তর্জাতিক
  • বিবিধ
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • উপ-সম্পাদকীয়
  • কক্সবাজার
  • চট্টগ্রাম
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
    • পর্যটন
  • আন্তর্জাতিক
  • বিবিধ
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • উপ-সম্পাদকীয়
No Result
View All Result
চকোরী—Daily Chakori
No Result
View All Result

আলীকদমে এসএসসি’র ফলাফল পর্যালোচনা ও প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণ

মমতাজ উদ্দিন আহমদ by মমতাজ উদ্দিন আহমদ
রোববার, ১৩ জুলাই ২০২৫
0 0
আলীকদমে এসএসসি’র ফলাফল পর্যালোচনা ও প্রাসঙ্গিক বিশ্লেষণ
0
SHARES
333
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

প্রাককথন
আলীকদম থানা ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর গঠিত হয়। এর আয়তন ৮৮৫.৮৫ বর্গকিলোমিটার, যা পরে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়। আলীকদমে মাধ্যমিক শিক্ষার সূচনা হয় ১৯৭৬ সালে আলীকদম উচ্চ বিদ্যালয় এবং ১৯৭৮ সালে আলীকদম ইসলামিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। বর্তমানে, উপজেলায় চারটি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। এর বাইরেও কিছু অনুমোদনবিহীন আরও ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয় এখনো পাঠদান অনুমতি কিংবা স্থাপন অনুমতিও পায়নি।

এই প্রতিবেদনটি ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করবে, যেখানে আলীকদম উপজেলার প্রেক্ষাপটকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে জাতীয়ভাবে এসএসসি পাসের হার কমে ৬৮.৪৫% এ নেমে এসেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৪.৫৯ শতাংশ কম। একই সাথে, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও (১,৩৯,০৩২ জন) উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ভালো ফল করার প্রবণতা অব্যাহত রেখেছে। আলীকদম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে, যার পাসের হার ছিল ৭২.০৭%। যদিও এই বোর্ড জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো ফল করেছে, তবে রাজশাহী (৭৭.৬৩%) এবং যশোর (৭৩.৬৯%) এর মতো শীর্ষ পারফর্মারদের চেয়ে এখনও পিছিয়ে আছে। জাতীয় পাসের হারে এই পতন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য শিক্ষাব্যবস্থায় পদ্ধতিগত সমস্যা ও স্থানীয় প্রেক্ষাপটের গুরুত্ব তুলে ধরে।

আলীকদম উপজেলার বিদ্যালয়সমূহের ফলাফল বিশ্লেষণ (২০২৫)
২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আলীকদম উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার একটি মিশ্র চিত্র তুলে ধরেছে। উপজেলার এমপিওভূক্ত ও ইনধারী ৭টি বিদ্যালয়ের মধ্যে একটিমাত্র বিদ্যালয় চমৎকার ফল করেছে, বাকিগুলোর পারফরম্যান্স বেশ দুর্বল।

বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনা
* আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ: এই বিদ্যালয়টি তাদের ফলাফলে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে, যা আলীকদম উপজেলার জন্য অত্যন্ত গর্বের। ৩১ জন পরীক্ষার্থীর শতভাগ পাস এবং ৪ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন তাদের উচ্চ মানসম্মত শিক্ষা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানের ফল। বান্দরবান জেলার মোট ফলাফলের তালিকায় তারা দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে, যা তাদের শক্তিশালী একাডেমিক ভিত্তি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দেয়। এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে প্রত্যন্ত এলাকাতেও অসামান্য ফল অর্জন সম্ভব।

* আলীকদম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়: আলীকদম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় জেলার ১৫তম স্থানে থেকে তুলনামূলক ভালো ফল করেছে। ৯০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৪ জন পাস করেছে, অর্থাৎ পাশের হার ৭১.১১%। এটি অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোর তুলনায় ভালো পারফরম্যান্স। তবে, শিক্ষক ঘাটতি এবং ঘাটতি পূরণের উপর মহলের সদিচ্ছার অভাব তাদের আরও উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। জেলার শীর্ষস্থানীয় বিদ্যালয়গুলোর সাথে পাল্লা দিতে তাদের আরও উন্নতির প্রয়োজন।

* আলীকদম আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়: এই বিদ্যালয়টি ৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২ জনকে পাস করিয়ে ৬০.৩৮% পাশের হার অর্জন করেছে। তারা জেলার ২৩তম স্থানে আছে। তাদের ফলাফল মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে, যা উন্নতির জন্য যথেষ্ট সুযোগ নির্দেশ করে।

* চৈক্ষ্যং মডেল হাইস্কুল: চৈক্ষ্যং মডেল হাইস্কুলের ফলাফল উদ্বেগজনক। ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২১ জন পাস করেছে, যা পাশের হার ৪১.১৮%। তারা জেলার ৪০তম স্থানে আছে। এই দুর্বল ফলাফল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত মান উন্নয়নে জরুরি মনোযোগের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

* আলীকদম গার্লস হাইস্কুল: আলীকদম গার্লস হাইস্কুলের পারফরম্যান্সও অনেক দুর্বল। ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৩৫ জন পাস করেছে, যার পাশের হার ৩৯.৩৩%। এটি জেলার ৪২তম স্থানে অবস্থান করছে। এই বিদ্যালয়টির ফলাফল থেকে বোঝা যায়, এখানে শিক্ষাগত মান উন্নয়নে ব্যাপক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

* আলীকদম ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা: আলীকদম উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের একমাত্র দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলীকদম ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১ জন পাস করেছে। পাশের হার ৭৫.৫%।

সামগ্রিক বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা:
* শিক্ষাগত বৈষম্য: আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অসাধারণ সাফল্য এবং অন্যান্য বিদ্যালয়, বিশেষ করে চৈক্ষ্যং মডেল হাইস্কুল ও আলীকদম গার্লস হাইস্কুলের দুর্বল পারফরম্যান্স শিক্ষাগত বৈষম্য তুলে ধরে। এই বৈষম্য শিক্ষকের মান, বিদ্যালয়কেন্দ্রিক অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি, এবং নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটির অনুপস্থিতির কারণে ঘটেছে বলে জানা যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রতিপক্ষ শিক্ষক গ্রুপ কর্তৃক নারী নির্যাতন মামলায় জড়িয়ে সাময়িক বরখাস্ত করানো হয়েছে। অপর একটি বিদ্যালয়ে বিগত ২১ বছর ধরে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি নেই বলে গতবছর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবী করা হয়েছে।

* শিক্ষকের গুণগত মান ও তত্ত্বাবধান: আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সাফল্য প্রমাণ করে যে যোগ্য শিক্ষক এবং তাদের নিবিড় তত্ত্বাবধান ফলাফলে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোতেও এই মডেল অনুসরণ করার সুযোগ আছে। তবে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষক আকর্ষণ ও ধরে রাখা কঠিন, ফলে শিক্ষকের অভাব, তাদের দক্ষতা কম হওয়া এবং উচ্চ শিক্ষক পরিবর্তন হার দেখা যায়। ঐতিহ্যবাহী ও অরুচিকর শিক্ষণ পদ্ধতি এবং শ্রেণীকক্ষে সীমিত আইসিটি ব্যবহারও শিক্ষার্থীদের বোধগম্যতা ও অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করে।

* আর্থ-সামাজিক প্রভাব: কিছু বিদ্যালয়ের দুর্বল ফল গ্রামীণ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক কারণগুলির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, যেমন দারিদ্র্য, শিক্ষার্থীদের পারিবারিক কাজে অংশগ্রহণ, এবং বাল্যবিবাহের ঝুঁকি। দারিদ্র্য কেবল আর্থিক নয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সময় ও শক্তি হ্রাস করে। পিতামাতার আয়, পারিবারিক কাঠামো, এবং বাড়িতে শেখার পরিবেশের গুণগত মানও একাডেমিক পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করে।

* কমিটিবিহীন স্কুল, অবকাঠামো ও সংস্থান: দুর্বল ফল করা বিদ্যালয়গুলোতে কমিটি নিয়ে দুর্বলতা, প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের মধ্যে অন্তর্কোন্দল, এবং ডিজিটাল সংস্থান ও আধুনিক শিক্ষণ উপকরণের অভাব থাকতে পারে, যা শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে। আলীকদমের পাহাড়ি অঞ্চলের অনুমোদনবিহীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো অপর্যাপ্ত। অপর্যাপ্ত শ্রেণীকক্ষ, পানীয় জল, স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার, খেলার মাঠের অভাব এবং আইসিটি ল্যাব ব্যবহারের সীমিত সুযোগ শিক্ষার্থীদের ফল ও শেখার অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে। শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের দীর্ঘ ও অনিরাপদ পথ, বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য, একটি সমস্যা। গ্রামীণ অঞ্চলে জনসংখ্যার বিস্তৃতির কারণে শিক্ষা প্রদানের খরচও বেশি হয়। আলীকদমের মতো প্রত্যন্ত উপজেলায় অবকাঠামোগত ঘাটতি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা শিক্ষায় প্রবেশাধিকার ও মানের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে।

* শিক্ষার্থী-নির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ: শিক্ষার্থীরা গণিত ও ইংরেজির মতো মূল বিষয়গুলিতে দুর্বলতাকে তাদের খারাপ ফলের কারণ বলে চিহ্নিত করে, যা মৌলিক শিখন ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বিভিন্ন ধরণের গেম খেলাও শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত একাডেমিক ফল অর্জনে বাধা দেয়। বাড়িতে পড়াশোনার জন্য একটি নির্দিষ্ট, অনুকূল স্থানের অভাব এবং পরিবারের সদস্যদের একাডেমিক সহায়তা প্রদানে অক্ষমতাও শিক্ষার্থীদের ফলকে প্রভাবিত করে। আলীকদমের মতো গ্রামীণ অঞ্চলে পরিবারগুলির সম্পদ কম থাকতে পারে, যা শিক্ষার্থীদের এই চ্যালেঞ্জগুলির প্রতি আরও দুর্বল করে তোলে।

* স্থানীয়দের অংশগ্রহণ: শিক্ষায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে, বিদ্যালয় ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগের অভাব এবং পিতামাতার অসচেতনতা প্রধান বাধা। ১৯৭৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জাতীয়করণ স্থানীয় সম্প্রদায়গুলিকে তাদের বিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে, যা এই ঐতিহ্যবাহী বন্ধনকে দুর্বল করেছে।

উপসংহার এবং সুপারিশমালা:
২০২৫ সালের এসএসসি ফল আলীকদমের মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত চিহ্নিত করে। জাতীয় পর্যায়ে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে, যা শিক্ষাগত গুণগত মান নিয়ে পদ্ধতিগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। আলীকদমের মতো শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া উপজেলায় এসএসসিতে ভালো ফলাফলের চ্যালেঞ্জ আরও বেশি। এখানে দারিদ্র্য, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, শিক্ষকের গুণগত মানের অভাব, এবং পরিবারের সীমিত সমর্থন শিক্ষার্থীদের ফলকে প্রভাবিত করে।

এই বিশ্লেষণ এবং বাংলাদেশের সফল শিক্ষাগত মডেলগুলির আলোকে, আলীকদম ও অনুরূপ গ্রামীণ অঞ্চলের শিক্ষাগত মান উন্নয়নের জন্য নিম্নলিখিত সুপারিশগুলি প্রস্তাব করা হলো:

১. দুর্বল পারফর্ম করা বিদ্যালয়গুলোতে বিশেষ মনোযোগ: চৈক্ষ্যং মডেল হাইস্কুল এবং আলীকদম গার্লস হাইস্কুলের মতো বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের জন্য নিবিড় প্রশিক্ষণ, অতিরিক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা, এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিকারমূলক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা জরুরি। নিয়মিত কমিটি গঠন এবং বিদ্যালয়কেন্দ্রিক মামলার লাগাম টানতে প্রশাসন ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

২. বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও ডিজিটাল সম্পদে কৌশলগত বিনিয়োগ: দুর্বল বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণীকক্ষ, ল্যাব এবং ডিজিটাল সুবিধা বাড়ানোর জন্য কৌশলগত বিনিয়োগ প্রয়োজন। এটি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষণ উপকরণের সাথে পরিচিত হতে এবং গ্রামীণ-শহুরে ডিজিটাল বিভাজন দূর করতে সাহায্য করবে।

৩. শিক্ষকদের জন্য শক্তিশালী পেশাগত উন্নয়ন: আলীকদমে যোগ্য শিক্ষকের অভাব, ভাষাগত বাধা, এবং ঐতিহ্যবাহী শিক্ষণ পদ্ধতি দুর্বল ফলের কারণ। তাই, আলীকদমের শিক্ষকদের জন্য ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করতে হবে। এই কর্মসূচি ইন্টারেক্টিভ শিক্ষণ পদ্ধতি, বহুভাষিক শ্রেণীকক্ষ ব্যবস্থাপনা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য কৌশল এবং আইসিটি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দেবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চ-মানের শিক্ষক আকর্ষণ ও ধরে রাখার জন্য বিশেষ প্রণোদনা (যেমন, উন্নত বেতন, আবাসন) বিবেচনা করা যেতে পারে।
৪. সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে পুনরুজ্জীবিত করা: শিক্ষায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণের গুরুত্ব অনেক। তবে যোগাযোগের অভাব ও পিতামাতার অসচেতনতা প্রধান বাধা। তাই, বিদ্যালয় ও অভিভাবকদের মধ্যে সক্রিয় ও দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে হবে। পিতামাতাদের সচেতনতা বাড়াতে কর্মশালা ও প্রচারণার আয়োজন করতে হবে। স্থানীয় নেতাদের শিক্ষাগত উন্নয়নে কার্যকরভাবে জড়িত করার জন্য প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এটি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে সহায়ক শেখার পরিবেশ তৈরি করতেও সাহায্য করবে।

৫. স্থানীয় ডেটাভিত্তিক পরিকল্পনা: উপজেলা শিক্ষা অফিসকে প্রতিটি বিদ্যালয়ের ফলাফলের ডেটা নিয়মিত বিশ্লেষণ করতে হবে। এর ভিত্তিতে নির্দিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে, যাতে সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় এবং প্রমাণ-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়।

আমার এই বিশ্লেষণ এবং সুপারিশমালা আলীকদম উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিতে সহায়ক হবে বলে আশা করছি।

লেখক: সভাপতি, আলীকদম প্রেসক্লাব, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
তারিখ: ১১ জুলাই ২০২৫ খ্রি.।

Previous Post

সেন্টমার্টিন রক্ষায় বিকল্প জীবিকা ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে – পরিবেশ উপদেষ্টা

Next Post

আগামীকাল ‘উইমেন ডে’ শীর্ষক কনসার্ট

Next Post

আগামীকাল ‘উইমেন ডে’ শীর্ষক কনসার্ট

Comments 1

  1. আমির খান says:
    1 year ago

    বিশ্লেষক সাহেব চৈক্ষ্য আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার ফলাফলের হিসাব কোথায়? পরীক্ষা দিলো ৩৬ জন পাশ করলো ৩৪ জন। বিশ্লেষণ করলে সকল শাখা বিশ্লেষণ করতে হয়।

    Reply

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ কেমন হতে পারে

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচ কেমন হতে পারে

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: চকরিয়ায় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: চকরিয়ায় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মাতামুহুরী উপজেলা ও থানার ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি’

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
খামেনির দাফন ৯ জুলাই

খামেনির দাফন ৯ জুলাই

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আর্কাইভ

সম্পাদক ও প্রকাশক
প্রফেসর এ কে এম গিয়াসউদ্দিন
সম্পাদকীয় কার্যালয়

গার্লস হাই স্কুল সড়ক, চিরিঙ্গা, চকরিয়া, কক্সবাজার।
মোবাইল : ০১৭১৩৬০৩১৫৫
E-mail: akmgiasuddin@gmail.com

কক্সবাজার অফিস

কলাতলী মোড়, কক্সবাজার

The Daily Chakori was first published on 10 June 1992 as a weekly magazine from Chakaria, Cox’s Bazar. It has been published daily since October 26, 2000. Now Chakori is being published online.
  • মূলপাতা
  • কক্সবাজার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • ব্যবসা-বাণিজ্য
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • বিনোদন
  • পর্যটন
  • একনজরে সব জরিপ
© 2024-25 The Daily Chakori. All Rights Reserved.

Website powered by DigitB

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • কক্সবাজার
  • চট্টগ্রাম
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • রাজনীতি
  • জাতীয়
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
    • পর্যটন
  • আন্তর্জাতিক
  • বিবিধ
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • উপ-সম্পাদকীয়

© 2025-26 The Daily Chakori All Rights Reserved. Website powered by DigitB