জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাত জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৫ দেওয়া হলো। ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের স্বজনদের মধ্যে এই পুরস্কার বিতরণ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য সাত জনের নাম ঘোষণা করেছিল সরকার। তবে স্বাধীনতা পুরস্কার না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান লেখক, গবেষক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমর। তার পুরস্কার জাতীয় জাদুঘরে রাখবে সরকার।
গত ১১ মার্চ রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এবার ছয় জনকে মরণোত্তর এই পুরস্কার দেওয়া হলো।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯৭৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।







