৫ অগাস্ট’২৪ দুপুর নাগাদ পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। সাথে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। এরপর থেকে সেখানেই আছেন তিনি।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে জুলাই মাসের শুরুতে উচ্চ আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী বিক্ষোভের শুরু হয়। ২০১৮ সালে কোটা বাতিলের সরকারি প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আদালত।
তবে আলোচনা বা রাজনৈতিক সমাধানের পথে না গিয়ে আন্দোলন দমনে বলপ্রয়োগ করতে থাকে সারকার। সরকারের একের পর এক বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ছাত্রলীগের মাধ্যমে আন্দোলন দমন এবং প্রতিবাদকারীদের দিকে গুলি চালানোর মতো ঘটনা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে থাকে এবং বিক্ষোভ এক গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইন্টারনেট বন্ধ রেখে কারফিউ জারি করলেও আন্দোলন থামেনি। পাঁচ সপ্তাহে শত-শত মানুষের মৃত্যু হয়, যার পূর্ণাঙ্গ হিসেব এখনো পাওয়া যায়নি। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে সবচেয়ে বেশি রক্তপাতের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার সরকারের।
৫ অগাস্ট সরকার পতনের খবরে গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সংসদ ভবন সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দখল, ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা







