৫৭ বছর বয়সে পরপারে চলে গেলেন, মাতারবাড়ীর কৃতি সন্তান মাস্টার রুহুল আমিন। সোমবার দুপুর আড়াই টায় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে, তাকে মাতারবাড়ি ডিজিটাল হাস্পাতালে নেওয়া হয়।কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দেখে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই সংবাদ শোনার সাথে সাথে মাতারবাড়ি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ও ছড়িয়ে শোকের বার্তা।
তার মৃত্যতে মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক শোক প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের লিখেন,মাস্টার রুহুল আমিন দু:সময়ে সকল আন্দোলন -সংগ্রামে অগ্র সোনালী ছিলেন, তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কর্মী ছিলেন। আমরা দলের একজন পরীক্ষিত নেতাকে হারালাম।
মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আবু হায়দার বলেন,রুহুল আমিন ভাই একজন আদর্শ শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তার জীবনে মানুষকে সৎ পরামর্শ দিয়েছেন। সর্বাপরি তিনি সকলের কাছে একজন ভাল মানুষ ছিলেন।
মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কবির আহমদ বলেন, মাস্টার রুহুল আমিনের জীবন ছিল একদম সাদামাটা। তার চালচলন, কথাবার্তা, লেনদেন ছিল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন।
মৃত্যুকালে মাস্টার রুহুল আমিন ১ছেলে ১মেয়ে সহ অনেক আত্মীয় স্বজন রেখে যান। তার বড় ছেলে দশম শ্রেণিতে এবং মেয়ে ৬ষ্ট শ্রেণিতে পড়ে।
৫৭বছর বয়সে মাস্টার রুহুল আমিন। মাতারবাড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে সহকারি শিক্ষককের দায়িত্ব পালন, কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সসম্পাদক, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশের মহেশখালী উপজেলা শাখার সেক্রেটারি ও মাতারবাড়ি তৈয়বিয়া বালিকা মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবারের তথ্যমতে মাস্টার মরহুম রুহুল আমিনকে আগামীকাল (মঙ্গলবার)সাড়ে ৯টায় জানাযার নামাজ শেষে স্থানীয় কবর স্থানে সমাহিত করা হবে বলে পারিবারিকভাবে জানাগেছে।







