পবিত্র হজ্জব্রত পালন শেষে বাড়ি ফেরা আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম রাসেলকে দেখতে গিয়ে দু’ঘন্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন চকরিয়া পৌরসভার দুই কাউন্সিলর। এসময় তাদের উদ্ধারে থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাসা দেখিয়ে দেয়ায় দুবৃর্ত্তদের হাতে হামলা ও মারধরে গুরুতর জখম হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আলম বাহার প্রকাশ দুবাই আলম। রোববার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালের পেছনে আবাসিক এলাকায় ঘটেছে এ হামলার ঘটনা।
চকরিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র ২ মুজিবুল হক মুজিব বলেন, পবিত্র হজ্জব্রত পালন শেষে বাড়ি ফিরেছেন চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম রাসেল। রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে আমি এবং পৌর কাউন্সিলর ইফতেখারুল ইসলাম হানিফ দুইজন মিলে হাসপাতালের পেছনে নজরুল ইসলাম রাসেলের বাসায় যাই।
তিনি বলেন, বাসার বাইরে আমার গাড়িটি রেখে ভেতরে ঢুকি। একটু পরে দেখি ১০/১৫ জনের একটি দল অর্তকিত সেখানে এসে আমার গাড়িতে হামলা করে আমার ড্রাইভারকে মারধর করে। ঘটনাটি আচ করতে পেয়ে রাসেল তাঁর বাসার দরজা জানালা আটকে দেয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা রাসেল এর বাসায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরই মধ্যে আমি ফোনে ঘটনাটি পুলিশের ৯৯৯ এর মাধ্যমে চকরিয়া থানা পুলিশকে জানাই। তাৎক্ষণিক পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এসময় পাশের বাসার মালিক চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ সম্পাদক শফিউল আলম বাহার (দুবাই আলম) বাসা থেকে বের হলে পুলিশ টিম তাঁর কাছে নজরুল ইসলাম রাসেলের বাসাটি দেখিয়ে দিতে বলে।
কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব বলেন, এসময় দুবাই আলম বাসা দেখিয়ে দিলে হামলাকারীরা পুলিশের সামনে তাঁকে বেদড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
এই অবস্থায় রাত বারোটার পরে চকরিয়া সার্কেল এএসপি রাকিব উর রাজা ও চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে নজরুল ইসলাম রাসেলের বাসা থেকে আমাদের উদ্ধার করে এবং আহত আওয়ামী লীগ নেতা দুবাই আলমকে চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।
চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব অভিযোগ করেছেন, হামলার ঘটনায় চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর ও সোসাইটি মসজিদের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে কতিপয় লোকজন অংশ নিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করবো।
চকো/জে







