কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাভূক্ত মেহের ঘোনা রেঞ্জের নাকের ডগায় কোটি টাকা মূল্যের বনবিভাগের জায়গার উপর বহুতল স্থাপনা নির্মাণ চলছে দিনরাত।
স্থানীয় বনবিভাগের রহস্যময় আচরণে একটি সিন্ডিকেট প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় জন ও পরিবেশ বিধ্বংসী এ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
বনবিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জের অধীন মহাসড়কের ঈদগাহ কলেজ গেইট এলাকায় ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
জানা যায়, বিগত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় একটি চক্র মেহেরঘোনা রেঞ্জের অধীন মহাসড়ক সংলগ্ন কোটি টাকা মূল্যের বনবিভাগের এ জায়গাটির চারপাশে টিনের ঘেরাওয়ের আড়ালে দিনরাত স্থাপনা নির্মাণের মহোৎসব চালিয়ে যাচ্ছে। মেহেরঘোনা রেঞ্জ কার্যালয়ের নাকের ডগায় এ নির্মাণ কাজ চলতে থাকলেও রহস্যজনক ভাবে স্থানীয় বনবিভাগকে এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। জায়গাটির অবস্থান মহাসড়ক ও ঈদগাঁও কলেজ গেইট সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে হওয়ায় এর মুল্য আনুমানিক কোটি টাকার উপরে হতে পারে। স্থানীয় বনবিভাগের চলাফেরা দিনরাত এ জায়গার ২০ গজের মধ্যে হওয়ার পরও কিভাবে চক্রটি এ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ উৎসব চালিয়ে যাচ্ছে তা জনমনে বিরূপ প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। তাহলে কি স্থানীয় বনবিভাগ এ চক্রটি দ্বারা ম্যানেজড্! গণমাধ্যম কর্মীরা সরেজমিনে গেলে একটি দালাল চক্র তাদের নানা কায়দায় ম্যানেজের চেষ্টা করে।
স্থানীয় কয়েকজন লোক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জায়গাটি মহাসড়কের পাশে এবং গুরুত্বপূর্ণ। ইতিপূর্বে একটি চক্র অপর একটি দখলদারের কাছ থেকে বিশেষ দালাল চক্রের মধ্যস্থতায় স্থানীয় বনবিভাগের কতিপয় কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে দখলিস্বত্ব ক্রয় করে। বর্তমানে একই দালাল চক্রটির মধ্যস্থতায় সিন্ডিকেটটি স্থানীয় বনবিভাগকে ম্যানেজ করে এ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।এর পেছনে প্রভাবশালী একটি পক্ষও কাজ করছে। এসব পক্ষের সাথে নির্মাণ সিন্ডিকেটের বিশাল অংকের অনৈতিক লেনদেন হওয়ায় স্থানীয় বনবিভাগ দেখেও না দেখার ভান করে আছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ ।
চকো/জে







