কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় র্যাব অভিযান চালিয়ে ভয়ংকর মাদক তিন কেজি আইস এবং এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এসময় আইস ও ইয়াবা পাচারের অভিযোগে রোহিঙ্গা সহ দুই জন ইয়াবা কারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
কক্সবাজার র্যাব ১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ শেখ সাদী আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় দেয়া পৃথক প্রেস রিলিজ এ জানান আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ শাপলা চত্ত্বর এলাকা থেকে ভয়ঙ্কর মাদক আইস বা ক্রিস্টাল মেথ সহ এক রোহিঙ্গাকে অটক করা হয়।
মাদক সহ আটক আব্দুল লতিফ (৬৪) রোহিঙ্গা হলেও টেকনাফ পৌর ৪নং ওয়ার্ড অলিয়াবাদ এলাকার জহুর উদ্দিন এর ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল।
তিনি জানান, কতিপয় মাদক কারবারী টেকনাফ পৌরসভাস্থ অলিয়াবাদ শাপলা চত্ত্বর এলাকায় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করার গোপন সংদ পায় র্যাব। উক্ত সংবাদে র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত স্থানে পৌছলে র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে এক ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে সর্বমোট তিন কেজি ভয়ঙ্কর মাদক আইস বা ক্রিস্টাল মেথ উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা। জিজ্ঞাসাবাদে আটক রোহিঙ্গা স্বীকার করে যে, সে বেশ কিছুদিন যাবত বিভিন্ন কায়দায় মাদক আইস বা ক্রিস্টাল মেথ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অপর এক প্রেস রিলিজ এ র্যাব ১৫ এর এই কর্মকর্তা জানান আজ শুক্রবার বিকেলে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ময়নারঘোনা এলাকায় টেকনাফ থেকে আসা একটি সিএনজি অটোরিকশাকে র্যাবের একটি টিম গতিরোধ করলে সিএনজি অটোরিকশা থেকে দুই আরোহী ব্যাগ নিয়ে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেস্টা করে। এসময় র্যাব দল ধাওয়া করে একজনকে ব্যাগসহ আটক করতে সক্ষম হয়। আটক যুবকের নাম আব্দুর রহিম প্রকাশ কালা মনিয়া। সে উখিয়া উপজেলার উত্তর রহমতের বিল গ্রামের মৃত কালু মিয়ার পুত্র। তার বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। অপর এক যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়। র্যাব আরো জানান আটক এবং পালিয়ে যাওয়া দুই জনই টেকনাফ থেকে কক্সবাজার সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবা পাচার কাজে জড়িত বলে র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।







