উজানী ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর থেকে দোহাজারী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৫ কি.মি সড়ক। ফলে সড়কের উভয় পাশের সহস্রাধিক গাড়ি আটকে আছে।
সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক না হওয়ায় যাত্রীরা এখন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ভোর ৪ টা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (ভোর ৪টা থেকে বেলা ১১.৪৫ মি.) সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
এদিকে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ভাসছে চকরিয়া। গতকাল থেকে ডুবে আছে চকরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। দুই লাখ মানষ পানিবন্দী। মারা গেছে ২ শিশু। এক যুবক ভেসে গেছে। তার হদিস পওয়া যায়নি।
আজ ভোর থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত আছে। এ যেন আকাশ থেকে কলসী দিয়ে জল ঢালা হচ্ছে। ফলে চকরিয়ায় ব(১১.৪৫ন্যা পরিস্থিতির আরো এবং চরম অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের চিরিংগা বাণিজ্যিক এলাকা পয়েন্ট সকাল ১০টা অবধি হাটুজল বানের পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সড়ক যোগাযোগ স্থবির হয়ে পড়েছিল। এখন গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
চকরিয়া পৌরসভার নামার চিরিংগা সড়কের উপর ৫ ফুট পানি। ওই এলাকার বাড়ি ঘরে বানের পানি ঢুকেছে।
চকরিয়া পৌর সদরের চিরিংগা বাণিজ্যিক এলাকা তথা মহাসড়কের উভয় পাশের দোকান, যেমন নিউ মার্কেট, আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্স, চকরিয়া শপিং কমপ্লেক্স সহ সমস্ত বিপনি কেন্দ্রগুলোর নিচতলায় কমপক্ষে তিন ফুট ক্ষেত্রবিশেষে আরো বেশি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে ব্যবসায়ীরা বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গভীর রাতে বিপনি কেন্দ্র গুলোয় বানের পানি ঢুকায় ব্যবসায়ীরা মালামাল সরাতে পারেনি। ফলে পানিতে ভিজে দোকানের প্রায় মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।







