মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানির স্রোতে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহের নামায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে নদীতে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানি পেকুয়া সদরের লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।
বন্যা কবলিত হয়ে পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। ৭ আগষ্ট সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড়ের ওই অংশে ভেঙ্গে যায়। পেকুয়া সদর ছাড়াও শিলখালী, টৈটং ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেকুয়া সদরের পূর্ব মেহের নামার বেড়িবাঁধের ভাঙন দিয়ে মাতামুহুরি নদী থেকে তীব্র গতিতে ঢলের পানি ঢুকছে। ওইদিনই পেকুয়া সদরের বেশীর এলাকা ঢলের পানিতে নিমজ্জিত হয়ে শতশত বসত ঘরে পানি ঢুকে পড়ে। গ্রামীন অবকাঠামো ও আমনের বীজতলা ৩/৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বিতা চাকমা জানান, ইতোমধ্যে বন্যা কবলিত কিছু এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে, তবে তা অপ্রতুল।
তিনি আরও বলেন, বন্যার পানি নেমে গেলে ভাঙন পুনঃ নির্মাণের কাজ করা হবে। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম জরুরি ভিত্তিতে বেড়িবাঁধের ভাঙন পুননির্মাণের দাবী জানান। তিনি জানান, বেড়িবাঁধ পুননির্মাণ করা না হলে এ বছর আমনের চাষাবাদ ব্যাহত হবে।







