আমি তাকে দেখলাম, দিনগুলির যন্ত্রণা পেরিয়ে রাত্রির পথে হেঁটে এসেছে সে; ঝিঝি পোকারা ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। বাঁশের জঙ্গলে। অথচ কবিতার লাইনগুলি জানতাম আমি, প্রতিটি বাক্যের জন্য বিশেষ মুহূর্ত আর ঋতুগুলি শুধু তার জন্য নয় সময় আর অপেক্ষার মাসগুলি। রাস্তা পেরিয়ে অন্ধকারে ছুটে গেল একটি শেয়াল।
ফসল কাটা হয়ে গেলে ফসলের মাঠ
বন্ধ্যা এখন, ঘাসগুলি জন্মাবে না অনেকদিন, জমির শরীরের ঘাম ধোঁয়া হয়ে উঠে যাচ্ছে আকাশে, মনে হচ্ছে আহত হয়েছে রাত্রির বাতাস, আরও অনেক কিছু ধূসর গ্রাম নতমুখে শুশ্রূষা করবে সব ক্ষতের, রাত্রির তারাগুলির উত্তাপ জ্বলে যাচ্ছে। অতি ক্ষীণ তার স্বপ্নের প্রচ্ছদের ছবি।
যুদ্ধ বিজয়ীদের প্রাপ্য সম্মানের মতো কবিতার শব্দগুলি। পাকুড়ের ছায়ায় ঘুরে ঘুরে বিকেলের রোদ আর বাদামি পাট তৈরি করেছে প্রজাপতি ধরার জাল, সন্ধ্যার অন্ধকারকে কিছুটা নরম করার জন্য—-
এখন রাত্রির পরে রাত্রি পেরিয়ে রাত্রির অব্যয়হীন পথচলা। বুড়ো জামরুলের শিকড়টিকে খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে বুভুক্ষু পিপড়েগুলি। অন্ধকার কেমন নিঃশব্দে গিলে নিচ্ছে সব, শ্বাসরুদ্ধ পথিক আর তার কবিতার অন্তিম পঙ্ক্তিগুলিকে।







