পরিপক্কতা মিসিং ছিল বলেই ওখান থেকে শিখে ভালো কিছু দেখাতে পারছি। সামনে আরও ভালো কিছু দেখাব ইনশা আল্লাহ। ধারাবাহিকতায় আমরা প্রক্রিয়া অনুযায়ী উন্নতি করছি, এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ভুলগুলো বারবার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে কি না, এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ভুলগুলো কিন্তু কমে আসছে যে কোনো ফরম্যাটেই। তার মানে আমরা ভুল থেকে শিখছি, প্রক্রিয়াটা দারুণ যাচ্ছে এবং আমরাও শিখতে আগ্রহী।”
“আমাদের স্বপ্ন আমরা বিশ্বের শীর্ষ দল হবো, সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী আমরা ক্রিকেট খেলছি এবং এগোচ্ছি। ধীরে ধীরে মাঠেও দৃশ্যমান হচ্ছে। যদি এইভাবে ধারাবাহিকতা থাকে, সামনে অনেক বড় বড় ইভেন্ট আছে, ওসবেও প্রতিফলন পড়বে ইনশা আল্লাহ।”
“সবাই সবার দিক থেকে চেষ্টা করছে। ইউনিট হিসেবে যদি সবাই বিশ্বমানের বোলার থাকি, এই ইউনিটকে সামলাতে কিন্তু অন্যদের সমস্যাই হবে। বড় বড় দলে কিন্তু একটা নয়, চার-পাঁচটা বিশ্বমানের ফাস্ট বোলার থাকে। আমরাও চাচ্ছি, আমাদেরও এরকম হোক। যেহেতু আমরা সবাই পরিবারের অংশ, ফাস্ট বোলাররা, ভাইয়ের মতো। সবাই সবার ভালো চাই এবং সবশেষ দুই-আড়াই বছরে উন্নতিও চোখে পড়ছে।”
“এখনও আমাদের পরের ধাপে যাওয়া বাকি। আমি মনে করি আমরা সঠিক পথে আছি। মানসিকতা ভালো। যদি এই প্রক্রিয়ায় থাকি, আমাদের এই স্বপ্নও পূরণ হবে যে আমরা সবাই বিশ্বমানের হব।”
“ (হাসান মাহমুদ) আরও ভালো করুক, ১০ উইকেট করে নিক আমি চাই। আমি তো আগেই বললাম, আমরা ৫ জনই ভাই। সবাই যত ভালো করবে, প্রতিপক্ষরা তত চাপ অনুভব করবে। আপনি যেটা বললেন, ওরা আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কি না… ‘না’, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আমি নিজে। আমি চাইব সবাই মিলে ভালো করতে। তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটে একটা বার্তা যাবে যে বাংলাদেশের ফাস্ট বোলাররা উঠে আসছে। ও (হাসান) ১০ উইকেট নিলেও আমার কোনো ক্ষতি নাই, উন্নতি নাই। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আমি, আমার সেরা রেকর্ডটা ভেঙে বারবার ভালো করতে চাই। সবাই ভালো করতে চাই, দোয়া করুন।”







